HomeUncategorizedহিলিতে তিন দিন সূর্যের দেখা মেলেনি

হিলিতে তিন দিন সূর্যের দেখা মেলেনি

print news

দিনাজপুরের হাকিমপুর হিলিতে ঘন কুয়াশার দাপট কম থাকলেও হিমেল বাতাস আর কনকনে ঠান্ডায় কাবু হয়ে পড়েছে জনজীবন। সকাল থেকেই বৃষ্টির মতো পড়ছে কুয়াশা। তিন দিন থেকে সূর্যের দেখা না মেলায় ঠান্ডা বেশি অনুভূত হচ্ছে এ এলাকায়।

শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) সকালে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
দিনাজপুর আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আজ সকাল ৬টায় দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আদ্রতা ৯৭ শতাংশ। গতকাল একই সময় তাপমাত্রা ছিল ১১.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আদ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ।

দিনের তাপমাত্রা কমে রাতের তাপমাত্রার কাছাকাছি হওয়ায় দুপুর পর্যন্ত ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। কনকনে ঠান্ডা উপেক্ষা করে দিন মজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষজন কাজে বের হলেও প্রয়োজনীয় গরম কাপড়ের অভাবে কষ্টে রয়েছে অনেকে।

বিশেষ করে উত্তরীয় হিমেল হাওয়ায় শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় কাহিল হয়েছে পড়েছে দিনাজপুরের সীমান্তবর্তী হাকিমপুর উপজেলার মানুষগুলো। শীত ও কনকনে ঠান্ডায় কাজে যেতে না পারায় কষ্টে পড়েছে শ্রমজীবীরা। অপর দিকে স্থানীয় হাসপাতালে বেড়েছে ঠান্ডা জনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। এদের মধ্যে বেশির ভাগ শিশু রোগী।

হাকিমপুর উপজেলার আলিহাট ইউনিয়নের কোকতাড়া গ্রামের মিজানুর রহমান বলেন, আমাদের এলাকায় হঠাৎ করে কয়েকদিন থেকে খুব ঠান্ডা। ঠান্ডা হিমেল বাতাসে ঘর থেকে বাহির হওয়া যাচ্ছে না।
হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেখা গেছে হঠাৎ করে ঠান্ডা বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালে শীত জনিত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। তবে এদের মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধর সংখ্যা বেশি। চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে নার্স ও চিকিৎসকরা।

হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত রায় জানান, এ পর্যন্ত উপজেলায় শীত নিবারনে ২ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। এই মুহূর্তে শীতবস্ত্র মজুদ নেই। বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। পেলে বিতরণ করা হবে।

এই বিভাগের আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ

দশ জনপ্রিয় সংবাদ