HomeUncategorizedহিলিতে দেশীয় পেঁয়াজের দাম কেজি প্রতি বেড়েছে ১৫ টাকা

হিলিতে দেশীয় পেঁয়াজের দাম কেজি প্রতি বেড়েছে ১৫ টাকা

print news

ভারীত পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ ও বাজারে সরবরাহ কমের অজুহাতে দিনাজপুরের হিলিতে বেড়েছে দেশীয় পেঁয়াজের দাম। কেজি প্রতি বেড়েছে ১৫ টাকা। পাইকারী ও খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, এদিকে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ অন্য দিকে বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে দেশীয় পেঁয়াজের। মোকামেই ৩ হাজার থেকে তিন হাজার ১ শত টাকা মন পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি)হিলি স্থলবন্দরের বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজ লাপাত্তা।মুড়িকাটা দেশীয় পেঁয়াজ প্রকার ভেদে ৭৫ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে পাইকারী। আর খুচরা বাজারে ৮২ থেকে ৮৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। যা গত শনিবার (২৭ জানুয়ারী) পাইকারি ৬৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। আর খুচরা বিক্রি হয়েছে ৭০ টাকা কেজি দরে। এতে করে পাইকারি বাজারে কেজি প্রতি বেড়েছে ১৫ টাকা।

হিলি বাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা রফিকুল ইসলাম বলেন, আমি হিলি থেকে গত শনিবার ৭০ টাকা কেজি দরে দেশী পেঁয়াজ কিনেছি। আজ মঙ্গলবার পেঁয়াজ কিনতে এসে দেখি হঠাৎ পেঁয়াজের দাম বেশি। পেঁয়াজ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস তাই ৮৩ টাকায় এক কেজি পেঁয়াজ কিনলাম। কয়েক দিনের ব্যবধানে কেজিতে প্রায় ১৫ টাকা দাম বেড়েছে পেঁয়াজের। আমরা খেটে খাওয়া মানুষ কিভাবে চলবো ভেবে পাচ্ছিনা। প্রতিটি জিনিসের দাম বাড়লেও আমাদের মজুরি বাড়ে না।
আরেক পেঁয়াজ ক্রেতা গৃহবধূ জেসমিন আক্তার বলেন, আমি তিন চারদিন আগে ৬৮-৭০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ কিনেছি। আজ বাজার করতে আসলাম এসে দেখি পেঁয়াজের দাম বেশি। আমি এক কেজি পেঁয়াজ কিনলাম ৮৫ টাকা দিয়ে।

হিলি বাজারের খুচরা পেঁয়াজ বিক্রেতা মইনুল হোসেন বলেন, আমরা পাইকারী ৭৮-৮০ টাকা কেজি পেঁয়াজ কিনে ৮২-৮৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি। শুনতেছি দেশীয় পেঁয়াজের সরবরাহ কমে আসতেছে। তাই দাম বাড়ছে।
হিলি বাজারের পাইকারী পেঁয়াজ বিক্রেতা শাকিল আহম্মেদ বলেন, ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ থাকায় বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজ লাপাত্তা। অন্য দিকে দেশীয় পেঁয়াজের সরবরাহ কমে গেছে। তাই মোকামেই দাম বেশি। দুই দিন আগে মোকামেই তিন হাজার টাকা মন পেঁয়াজ কিনেছি। আজ মঙ্গলবার মোকামে ফোন দিয়ে জানতে পারলাম তিন হাজার দুই শত টাকা মন পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। আমি দুই দিন আগে মোকামেই ৭৫-৭৭ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ কিনেছি। এরপর গাড়ি ভাড়া আছে। এত তিন হাজার দুই শত টাকা মন দরে পেঁয়াজ কিনলে। হিলি বাজারে নিয়ে এসে প্রায় ৮৫ টাকা কেজি পড়বে। তাই পেঁয়াজ আজ মোকামে কিনতে যাইনি। তবে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি হলে দাম আরও কমে আসতে পারে।

এছাড়াও হিলি স্থলবন্দর বাজারে এক সপ্তাহের ব্যবধানে বৃদ্ধি পেয়েছে দেশীয় আলুর। গত সপ্তাহে দেশীয় আলু প্রকার ভেদে বিক্রি হয়েছে ৩০-৩৫ টাকা কেজি দরে। আজ দেশীয় আলু বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা কেজি দরে।
অন্য দিকে বয়লার মুরগির ডিম এর প্রতি পিচ ১ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত তিন দিন আগে প্রতি পিচ বয়লার মুরগির ডিম বিক্রি হয়েছে ১০ টাকা আর ত্রিশ পিচ এক (খাঁচি) ৩০০ টাকা। আজ সেই ডিম এক খাঁচি (৩০ পিচ) বিক্রি হচ্ছে ৩৩০ টাকা। তবে স্বাভাবিক রয়েছে আদা ও রসুনের দাম। প্রতি কেজি আদা বিক্রি হচ্ছে ১৪০-১৫০ টাকা দরে। আর দেশীয় রসুন বিক্রি ২৭০-২৮০ টাকা দরে। বাজারে নিত্য পণ্যর দাম ক্রেতার নাগালের বাইরে যাওয়ার কারণে বিপাকে পড়েছে মধ্যেবিত্ত ও নিন্ম আয়ের মানুষ।

এই বিভাগের আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ

দশ জনপ্রিয় সংবাদ